My thoughts and explanations

Tag Archive: ইলেকট্রনিক্স

ইলেকট্রনিক্স : রেসিস্টর

Resistors

রেসিস্টর (resistor/ রোধক) ইলেকট্রনিক সার্কিটে সবচেয়ে ব্যবহৃত কম্পোনেন্ট। রেসিস্টর সম্পর্কে আড়ও জানতে এই লিঙ্কের http://bn.wikipedia.org/wiki/রোধক আর্টিকেলটি পড়তে পারেন। রেসিস্টরের ইলেক্ট্রিকেল সিম্বল বা চিহ্ন হল অথবা  রেসিস্টর অনেক ধরনের হতে পারে। আমার এই আর্টিকেল সিরিজ যেহেতু বেসিক ইলেক্ট্রনিক্স নিয়ে, আমি ইলেক্ট্রনিক্স এর কাজের সাথে সম্পৃক্ত রেসিস্টরগুলো নিয়ে মূলত আলোচনা করব। এই আর্টিকেলে আমি শুধু স্থির রেসিস্টর সম্পর্কে আলোচনা করব। স্থির রেসিস্টর গঠন অনুযায়ী অনেক ধরনের হয়ে থাকে। ইলেক্ট্রনিক্স এর কাজে আমরা যে ধরনের স্থির রেসিস্টর বেশি ব্যবহার করি সেটা হল কার্বন রেসিস্টর যা দেখতে অনেকটা এরকম । আরেক ধরনের রেসিস্টর যা অনেক ব্যবহৃত তা হল সিরামিক রেসিস্টর যা দেখতে অনেকটা এরকম…
Read more

ইলেকট্রনিক্স : প্রথম ব্রেডবোর্ডে সার্কিট

এই পর্বে আমরা একটা সাধারণ সার্কিট ব্রেডবোর্ডে বানিয়ে দেখব। এর জন্য আমরা প্রথেমে দেখে নেই আমাদের সার্কিটটা কীরকম   চল এই সার্কিটের জন্য আমরা ব্রেডবোর্ড সার্কিট বানাই।   প্রথমে আমরা সার্কিট থেকে নোড গুলা বের করে নেব । এই খানে দেখা যাচ্ছে ৩তা নোড আছে তাই আমরা ৩ নোডের নাম দিয়ে দিলাম। এখন আমরা ব্রেডবোর্ডে কাজ শুরু করবো। সুরুতেই আমরা ব্যাটারি (Cell) ব্রেডবোর্ডে লাগাবো এখন আমরা দেখতে পারছি যে যেহেতু আমরা সার্কিটে সেল এর পসিটিভ কে  নোড ১ এবং নেগাটিভ কে নোড ২ নাম দিয়েছি ব্যপারটা অনেকটা এরকম  এখন আমরা আমাদের ব্রেডবোর্ডে বাকি কম্পোনেন্ট (রেসিস্টর) বসাব। রেসিস্টর গুলা অবশ্যই নোড…
Read more

ইলেকট্রনিক্স : ব্রেডবোর্ডে পরিচিতি

বাজারে অনেক রকম ব্রেডবোর্ড পাওয়া যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত প্রকারটি দেখতে এরকম এই ব্রেডবোর্ডের ভিতরের কানেকশন অনেকটা এরকম   এইখানে দেখা যাচ্ছে যে মাজখানের দিকে কলামগুলা একে অন্যের সাথে সংযুক্ত আর নিচের এবং উপ্রের মোট ৪টা সারি নিজেরা সংযুক্ত তবে এই ৪টা সারি মাজখানে বিভক্ত। এই ব্রেডবোর্ডে একেকটা হলুদ লাইন একেটা নোড হিসেবে কাজ করে। তাহলে তহ বুঝাই যাচ্ছে সার্কিটের একেকটা নোড কিভাবে ব্রেডবোর্ডে বসাতে হবে…… শুধু আমাদের সার্কিটের নোড এর সাথে মিল রেখে ব্রেডবোর্ডে বিভিন্ন কম্পোনেন্ট পয়েন্ট টু পয়েন্ট এ বসালেই সার্কিট তৈরি হয়ে যায়। যেহেতু দেখা যাচ্ছে উপরের এবং নিচের দুইটা সারি বিভক্ত আছে প্রয়োজনে অনেক সময়…
Read more

ইলেকট্রনিক্স : শুরু করতে ইলেকট্রিকের যা যা জ্ঞান লাগবে

ইলেকট্রনিক্স কাজের জন্য ইলেকট্রিকের যে জ্ঞানটা প্রথম লাগে তা হচ্ছে ও‍’মের সূত্র (Ohm’s Law) , যা সবাই মাধ্যমিকের পদার্থবিজ্ঞানে পরে থাকে। তা নিয়ে মনে হয় না আমার আলোচনা করতে হবে। তার পরেও যারা ও‍’মের সূত্র নিয়ে দ্বিধায় আছেন তারা উইকিপিডিয়ায়   পাতায় ও‍’মের সুত্রটা আবার ঝালাই করে নিতে পারেন। এছারাও আপনাকে জানতে হবে ক্যাপাসিটরের কাজ কি? বিভিন্ন সময় ক্যাপাসিটরের বিভিন্ন গুণ আমরা ব্যবহার করি, সেসব আমরা যে কাজ করার আগে থিওরিতে জানব। আপনাকে জানতে হবে আমরা রেসিস্টর কেন ব্যবহার করি। আপনাকে জানতে হবে কেন আমরা সুইচ ব্যবহার করি। আমি ধরে নিচ্ছি আপনারা এসব জিনিস জানেন। এখন আসি একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে, যেকোন রকম সার্কিট প্রেকটিকেলি তৈরি…
Read more

ইলেকট্রনিক্স : শুরু করতে যা লাগবে

From left to right Multimeter, Scissor, Cutter, Soldering Iron with stand and tip cleaner, And soldering lead at top

ইলেকট্রনিক্স শুরু করতে হলে আপনাদের যা লাগবে তা হল ইলেকট্রিক সম্পর্কে সামান্য কিছু জ্ঞান আর কিছু যন্ত্রপাতি । এবং সবচেয়ে বেশি যা লাগবে , তা হচ্ছে আপনার আগ্রহ।  ইলেকট্রিক সম্পর্কে আপনার যা জ্ঞান লাগে তা মোটামোটি উচ্চ মাধ্যমিকের পদার্থবিজ্ঞানে পড়ানো হয়ে থাকে। আর বাড়তি যে ইলেকট্রিকের জ্ঞান লাগবে তা আমি চেষ্টা করবো আমার লেখাগুলোতে আলোচনা করার। ইলেকট্রনিক্স কাজ করতে যেসকল যন্ত্রপাতি সবসময় লাগে তা আপনার নিজের থাকা মোটামোটি আবশ্যক, কেন না কাজ করার সময় সব যন্ত্রপাতি সাথে না থাকলে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়। আজকের পোস্টে আমি মূলত যন্ত্রপাতি বিষয়ে আলোচনা করবো। যন্ত্রপাতির মধ্যে প্রথমেই লাগবে একটা মাল্টিমিটার (Multimeter) । মাল্টিমিটারের…
Read more

%d bloggers like this: